default-image

কুষ্টিয়ায় একটি পরিবারের ছয় সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতিতে অভিযুক্ত চার নির্বাচন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ সোমবার এ–সংক্রান্ত আলাদা প্রজ্ঞাপন ও আদেশ জারি করেছে ইসি সচিবালয়।

বরখাস্ত পাঁচজন হলেন ইসি সচিবালয়ের উপসচিব ও কুষ্টিয়ার সাবেক সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া সদরের সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুমারখালীর সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ছামিউল আলম, চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া সদরের সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাশ এবং কুষ্টিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক জি এম সাদিক।

কুষ্টিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে শতকোটি টাকার জমি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গত সেপ্টেম্বর মাসে এ চক্রের প্রধানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্র জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে নিজেরাই ক্রেতা-বিক্রেতা সেজে রেজিস্ট্রেশন দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় অন্যের জায়গাজমি দখল করে আসছিল।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর শহরের এনএস রোডের বাসিন্দা এম এম এ ওয়াদুদ এ প্রতারক চক্রের ১৮ সদস্যের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০–১২ জনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন।

এরই মধ্যে এ–সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি গঠন করে ইসি সচিবালয়। তাতে ইসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুষ্টিয়ার এন এস রোডের এস এম এ ওয়াদুদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের তথ্যাদি ধারণ করে ছয় ব্যক্তির এনআইডি নেওয়ার অভিযোগের পর গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন