নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ৬৭ ও শিশু ৮১ জন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি, ২০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশই মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী। এরপর আছেন পথচারী। দুর্ঘটনায় ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ পথচারী নিহত হন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মার্চ মাসে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (৩০ দশমিক ১১ শতাংশ)। এরপর মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, থ্রি-হুইলার ১৫ দশমিক ৩২ শতাংশ ও বাস ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এপ্রিল মাসে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি (৪৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ)। এরপর আছে ২৮ দশমিক ৮০ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে ও গ্রামীণ সড়কে ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩১টি দুর্ঘটনায় ১৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ১৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি ৩৯টি দুর্ঘটনায় ৪৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ছাড়া সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ঝালকাঠি জেলায়। রাজধানীতে ২২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার বেশ কিছু কারণ উঠে এসেছে। এর মধ্যে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানো, চালকদের অদক্ষতা ও অস্থিরতা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির শিথিলতা এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি অন্যতম।

প্রতিবেদনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ এর সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করা, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বাড়ানো, গণপরিবহন উন্নত করা, সড়ক-মহাসড়কে সড়ক বিভাজক নির্মাণ করা এবং বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো অন্যতম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন