বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজাদ রহমান জানান, মুজাহিদুর রহমান নামের এক গ্রাহক ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের দুই টন এসি ও ২৫ হাজার টাকা মূল্যের কাঠের তৈরি একটি টি টেবিলের ক্রয়াদেশ দেন। গত বছর ১১ জুলাই তিনি টাকা পরিশোধ করেন। পণ্য দুটি ৪৫ দিনের মধ্যে সরবরাহ করার কথা থাকলেও তা করেনি আসামি রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা।
মামলায় বাদীর দাবি, পণ্য না পেয়ে তিনি রাসেলকে আইনি নোটিশ পাঠান। পরে ইভ্যালি টেবিলের টাকা পরিশোধ করলেও এসির বিষয়ে কোনো সমাধান করেনি বলে অভিযোগ বাদীর।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ধানমন্ডি থানার মামলায় রাসেলকে এক দিন রিমান্ড এবং তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরদিন তাঁদের গুলশান থানার মামলায় তিন দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন আদালত। আদালতের অনুমতি নিয়ে তাঁদের তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল দুপুরে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

১৯ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির চেয়ারম্যান রাসেল, তাঁর স্ত্রীসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী গ্রাহক কামরুল ইসলাম চোকদার। তিনি ইভ্যালির পণ্য সরবরাহকারী ছিলেন। এর আগে আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. রাসেল ও শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন