default-image

মারধরের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের নেত্রী ফাল্গুনী দাস সংগঠনের তিন নেতাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর আগে ৫ জানুয়ারি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে চিঠি দেন৷

গত ২১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও বঙ্গবন্ধু টাওয়ার এলাকায় মারধরের শিকার হন রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী দাস৷ মারধরের ঘটনায় তাঁর অভিযোগ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজীর হোসেন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তার বিরুদ্ধে। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা শাহজালাল তাঁর মুঠোফোন ছিনতাই করেন বলেও অভিযোগ ফাল্গুনীর৷

ঘটনার পর অবশ্য বেনজীর ও জিয়াসমিন দাবি করেন, ‘বেয়াদবি’ করায় তাঁরা ফাল্গুনীকে ‘শাসন’ করেছেন৷ শাহজালালও মুঠোফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ঘটনার বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান ২৮ ডিসেম্বর প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। একটা কথাই বলব, এভাবে শাসন করাটা আসলে সমীচীন নয়।’ ছাত্রলীগ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়নি৷

এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ফাল্গুনী দাস। এ বিষয়ে ফাল্গুনী প্রথম আলোকে বলেন, এজাহারে তিনি বেনজীর, জিয়াসমিন, শাহজালাল ছাড়াও এনামুল ও তানসেন নামে দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন।

শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার প্রথম আলোকে জানান, এ বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে। যাচাই-বাছাইয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে৷

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন