বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার অনলাইনে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক সইয়ের অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান অনুসারে ২০৪১ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনেই প্রতিদিন গ্যাসের প্রয়োজন হবে ৩১৫ কোটি ঘনফুট। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাচ্ছে। তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এলএনজি আমদানিতেও গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দুটি ভাসমান টার্মিনাল ও পুনঃ গ্যাসে রূপান্তরকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) আছে দেশে। একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নেপথ্যের কারিগর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। তাই সরকার জ্বালানিনিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, টেকসই জ্বালানি মিশ্রণে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জ্বালানির অংশ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিও এ জ্বালানি মিশ্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম মালয়েশিয়ার সঙ্গে কর্মসংস্থান শ্রমিক, পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার ইত্যাদি বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি/সমঝোতা চুক্তি/প্রটোকল দ্বারা ২০টি চুক্তি রয়েছে। এলএনজি খাতের সমঝোতা স্মারক জ্বালানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।

সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের মন্ত্রী মুস্তপা মোহামেদ সই করেন। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং মালয়েশিয়ার পেট্রোনাস এলএনজি লিমিটেড ও গ্লোবাল এলএনজি এসডিএন সম্মিলিতভাবে বাণিজ্যিক শর্তাবলি চূড়ান্ত করে পরবর্তী কাজ শেষ করবে।

অনলাইন এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মুস্তপা মোহামেদ, মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত পোয়ান হাজনা মো. হাশিম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন