জীবন রক্ষাকারী ওষুধের বাজারমূল্য ও অনুমিত মূল্য, মূল্য বৃদ্ধির হার ও তা বৃদ্ধির অনুমতি আছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ কয়েকটি নির্দেশনাসহ এ আদেশ দেন।
অপর নির্দেশনায় ওষুধের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেওয়া গেজেট সাত দিনের মধ্যে ন্যাশনাল ড্রাগ অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলকে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। গেজেট করা না হলে আইন অনুসারে তা না করার কারণ এভিডেভিট (হলাফনামা) আকারে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার পরিদপ্তর ও ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তরের পাঁচ বছরের কার্যক্রমের প্রতিবেদনও দাখিল করতে বলা হয়েছে।
জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে চার আইনজীবী গত বছরের জানুয়ারিতে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানির পর ওই বছরের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।
গতকাল এ বিষয়ে শুনানি হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এ এস এম নাজমুল হক। শুনানির পর আদালত ১১ মার্চ পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
আদেশের বিষয়টি জানিয়ে মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ কমিটির তালিকা সাত দিনের মধ্যে দাখিল করতে স্বাস্থ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন