বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অপরিকল্পিত ঘিঞ্জি কক্সবাজারকে সিঙ্গাপুরের আদলে গড়ে তোলা সম্ভব?

default-image

ফোরকান আহমদ: ৪০ বছর আগের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা কক্সবাজার এখন নেই। সৈকত ঘিরে শত শত হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট হয়ে গেছে। খুবই দুঃখজনক, কোনোটাই পরিকল্পিতভাবে হয়নি। অলরেডি আমরা কক্সবাজারকে নষ্ট করে দিয়েছি। এটাকে পরিকল্পিত পর্যটন নগর হিসেবে গড়তে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।

কক্সবাজার সিঙ্গাপুরের আদলে করব, আমরা বলছি। কিন্তু কীভাবে করব জানি না। সিঙ্গাপুরে একটা মাস্টারপ্ল্যান আছে। সিঙ্গাপুরের সব জায়গা সরকারের, মাস্টারপ্ল্যানের বাইরে কিছু করা যায় না। আমাদের এখানে হলো ব্যক্তিগত মালিকানার জমি। অথবা খাস খতিয়ানের জায়গা। এখানে সিঙ্গাপুরের মতো সেভাবে মাস্টারপ্ল্যান নেই।

এখন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে, অনুমোদন পেয়েছি। আগের একটা মাস্টারপ্ল্যান ছিল, এটাকে কাজে লাগানো হয়নি।

এখন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধিক্ষেত্রে এসেছে জেলার টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, রামু, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার ৬৯০ দশমিক ৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা। মাস্টারপ্ল্যান হয়ে গেলে আমাদের অনুমোদন ছাড়া অধিক্ষেত্রের কোথাও কিছু করা যাবে না।

পর্যটকের পছন্দ দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ। এই সড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, আবার সৈকত দখল; কিছুই থেমে নেই...

ফোরকান আহমদ: ৮৪ কিলোমিটারের কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে। সড়কটি নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১০-১৫ বছর ধরে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। এখন মেরিন ড্রাইভ চার লেন হবে। সেনাবাহিনী সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ করছে, করবে। পর্যটকের নিরাপদ চলাচলের সুবিধার্থে আমরা সড়কের কিছু অংশ লাইট বসিয়ে আলোকিত রাখার ব্যবস্থা করেছি, কিছু অংশে বনায়ন করে পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছি। সৈকতের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি, প্রকল্প নিচ্ছি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন