default-image

প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে গত দুই দিনে বরিশাল ও নাটোরে ১৭৩টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বরিশালে গতকাল রোববার কোহিনুর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সৌজন্যে ৭৩টি এবং নাটোরে গত শনিবার সিটি ব্যাংক এনএর সৌজন্যে ১০০টি কম্বল দেওয়া হয়।
বরিশাল নগরের আমতলা মোড়ে বৃদ্ধাশ্রম, আলেকান্দা রিফিউজি কলোনি, রূপাতলী এবং বান্দ রোড এলাকায় ঘুরে বন্ধুসভার সদস্যরা শীতার্তদের মধ্যে ৭৩টি কম্বল বিতরণ করেন। বিকেল সোয়া পাঁচটায় বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের হাতে কম্বল তুলে দেন সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল সেনগুপ্ত।
আশ্রমের বাসিন্দা ৭৭ বছরের কৎবানু বলেন, ‘বরিশালে শীত জাইক্যা (জেঁকে) বইছে। লড়ন-চড়ন যায় না। এই কালের মইধ্যে কোম্বল পাইয়া উপকার হইছে। অ্যাহত একটু গা গরম অইবে।’
কম্বল বিতরণের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্ধুসভার সুদীপ কুমার, আশিক ইসলাম, তন্ময় কুমার নাথ, ফারজানা টুম্পা, অনিরুদ্ধ সরকার, ইশরাত জাহান, সিয়ামুল হায়াত, বিশ্বেশ্বর ভূষণ, মাইশা হক মীম, সুব্রত দাস, সাজবিন নাহার, সুমি আক্তার, মাহাদুল হাসান প্রমুখ।
নাটোরের লালপুর উপজেলার নরেন্দ্রপুরে গত শনিবার সকালে কনকনে ঠান্ডার মধ্যে ১০০টি কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতার্ত নারীশ্রমিকদের মধ্যে কম্বলগুলো বিতরণ করেন গোপালপুর পৌরসভার মেয়র মঞ্জুরুল ইসলাম, গৌরিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হযরত আলী, লালপুর মাজার শরিফ টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইমাম হাসান, নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক ওমর আলী। অতিথিরা একে একে কম্বলগুলো শ্রমিকদের গায়ে জড়িয়ে দেন।
মহিষবাথান বীজবর্ধন খামার থেকে আসা চন্দ্রবান (৭০) কম্বল পেয়ে এক অতিথিকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘আমরা সারা দিন মাঠেঘাটে কাজ করি। রাতে মাঠের মধ্যেকার বস্তিতে ঘুমাই। কেউ কোনো কিছু লিয়া আমদের খামারে দিতে আসেনি। আইজ তোমরা আইছ! একটা কম্বল দিছো, খুব ভালো ঠেকছে। মোদের লিয়া ভাবনার মানুষও আছে আজ বুজলাম।’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন