বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ১ আগস্ট রাতে মরিয়মের মোহাম্মদপুরের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাঁর বিরুদ্ধে পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন ডিবির পরিদর্শক শিশির কুমার কর্মকার। মামলায় উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদপুরের বাবর রোড এলাকার একটি বাসায় মাদক কেনাবেচার জন্য অবস্থান করছে। তখন সেখানে অভিযান চালিয়ে মরিয়মকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাসা থেকে ৭৫০টি ইয়াবা এবং ১২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধারের কথা জানায় ডিবি।

এই মামলায় নিম্ন আদালতে বিফল হয়ে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন মরিয়ম। শুনানি নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ শর্ত সাপেক্ষে এক বছরের জন্য তাঁকে জামিন দেন।

মরিয়মের অন্যতম আইনজীবী সায়মা রহমান বলেন, ভবিষ্যতে ইয়াবা ও মদ রাখা বা লেনদেনে মরিয়ম আর যুক্ত হবেন না, তদন্ত কর্মকর্তাকে সহায়তা করবেন, কোনো সাক্ষীকে চাপ প্রয়োগ বা আলামত নষ্ট করবেন না—এ রকম কয়েকটি শর্তে হাইকোর্ট তাঁকে জামিন দিয়েছেন। মরিয়ম এখন কারামুক্ত।

এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আরেকটি মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তিন দফায় প্রথমে চার দিন, দ্বিতীয় দফায় দুই দিন এবং তৃতীয় দফায় এক দিনসহ মোট সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। হাইকোর্টে পরীমনির করা আবেদনের শুনানিতে তাঁকে দফায় দফায় রিমান্ড নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট দুই বিচারককে (মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার রিমান্ডের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেন।

পরীমনির রিমান্ডের বিষয়ে দেওয়া ওই আদেশে হাইকোর্ট আরও বলেছেন, পুলিশ বিভাগকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে যে মানবজীবন অত্যন্ত মূল্যবান। দুই দফা রিমান্ড আবেদন মঞ্জুরে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে এত সন্তুষ্ট হলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এই ঘটনা বিচারিক ঐকমত্যকে বিদ্ধ করেছে বলেও উল্লেখ করেন হাইকোর্ট। পরীমনির দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস ও আতিকুল ইসলাম ব্যাখ্যা দাখিল করেন হাইকোর্টে। তাঁদের দেওয়া জবাবে হাইকোর্ট সন্তুষ্ট হননি। দুই বিচারককে আবার ব্যাখ্যা দিতে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন