বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আইসোলেশনে থাকা করোনা আক্রান্ত এক রোগী পালিয়ে গেছেন। শনিবার দুপুরের দিকে ৬০ বছর বয়সী ওই রোগী হাসপাতালের করোনা ইউনিট থেকে পালিয়ে যান।

পালিয়ে যাওয়া ওই ব্যক্তির বাড়ি ভোলার দৌলতখান উপজেলার কনাকোপা গ্রামে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। হাসপাতালের পরিচালক মো. বাকির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড থেকে চারজন রোগী পালালেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২১ মে করোনার উপসর্গ নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন ওই ব্যক্তি। ওই দিনই তাঁর নমুনা পরীক্ষার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ২২ মে রাতে ল্যাব থেকে দেওয়া প্রতিবেদনে ওই রোগীর করোনা পজিটিভ আসে। রাতেই করোনা ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়টি ওই ব্যক্তিকে জানান।

মো. বাকির হোসেন বলেন, দুপুরের দিকে ওই রোগীকে খুঁজতে যান করোনা ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। তখন থেকেই তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ভর্তি রেজিস্ট্রারে থাকা রোগীর মুঠোফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এর আগে ১৫ মে দুপুরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড থেকে এক রোগী পালিয়ে যায়। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তুলাতলী গ্রামের ২২ বছর বয়সী ওই যুবক ১৩ মে এই হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। পরের দিন তাঁর নমুনা নেওয়া হলেও পরীক্ষার প্রতিবেদন আসার আগেই তিনি পালিয়ে যান। গত ৫ ও ৬ এপ্রিল বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড থেকে দুই রোগী পালিয়ে যান। তবে আগে পালানো তিনজনের কেউ করোনা পজিটিভ ছিলেন না।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0