বিজ্ঞাপন

মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরে মো. আবদুল হামিদ বলেন, দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিদেশেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনেও তাঁদের এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। পরে রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিন বাহিনীর প্রধানেরা। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) হাসান জাহিদ তুষার বিকেলে এই সাক্ষাতের বিষয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করার পর থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অনেক প্রশংসনীয় অবদান রেখেছে এবং চলমান কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার জন্যও কাজ করছে।

করোনা মোকাবিলাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানেরা ছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকীব আহমেদ চৌধুরী।

সেনাপ্রধানকে প্রধানমন্ত্রীর ‘সেনাবাহিনী পদক’

সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে দৃষ্টান্তমূলক অবদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে ‘সেনাবাহিনী পদক’ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় সেনাবাহিনী প্রধানের হাতে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন