default-image

কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে আজ শনিবার উদযাপিত হয়েছে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাংলা ভাষা আন্দোলনের এই মহান দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে মানুষ। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করে নানা অনুষ্ঠানের।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে কলকাতার একাডেমি অব ফাইন আর্টস চত্বরে আয়োজন করা হয় ভাষা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠান। নবজাগরণ ও ভাষা চেতনা সমিতি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকেও যোগ দেন ১৬ জন শিল্পী। গতকাল রাত ১২ টা ১ মিনিটে মশাল মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। সারা রাত ধরে চলে কবিতা, গান, নাটক ও নাচের অনুষ্ঠান।
আজ শনিবার সকালে পার্ক সার্কাস এলাকায় কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশন গ্রন্থাগার থেকে বের হয় প্রভাতফেরি। এতে পা মেলান কলকাতার বিশিষ্টজনেরা। এর পরই উপহাইকমিশনে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার মাধ্যমে দিনের সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাডেমি সভা ঘরে আজ থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের একুশে পালন।

default-image

কলকাতার ভাষা শহীদ স্মারক সমিতি কলকাতার কার্জন পার্কে অবস্থিত ভাষা উদ্যানের শহীদ স্মারকে সকালে ফুলের মালা দেওয়ার মধ্য দিয়ে দিনটির সূচনা হয়। দিনভর চলে অনুষ্ঠান।
পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানের। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া মশাল মিছিল যাত্রা আজ সকালে উপহাইকমিশন হয়ে শেষ হয় কলকাতার সেন্টজেভিয়ার্স কলেজে। উত্তর কলকাতার হেদুয়া পার্কেও আয়োজন করা হয় ভাষা দিবসের। কলকাতার বেলেঘাটা মোড়ে ভাষা আন্দোলনের ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ধাঁচে গড়া শহীদ মিনারেও শ্রদ্ধা জানায় মানুষ।

default-image

এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহর ও গ্রামের স্কুল-কলেজেও দিনটি পালিত হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়। ভাষাসৈনিক বরকতের গ্রাম বাবলাতেও দিনটি পালিত হয় নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। বরকতের স্কুল তালিবপুর হাইস্কুলেও আয়োজন করা হয় নানা অনুষ্ঠানের। এ ছাড়াও বাংলাভাষী রাজ্য ত্রিপুরাসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দিনটি পালিত হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন