বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। সম্মানীয় অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। আর বিশেষ অতিথি ছিলেন ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের সহসভাপতি সত্যম রায় চৌধুরী, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সব্যসাচী বসুরায় চৌধুরী, বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো শ্রীরাধা দত্ত, সাংবাদিক মানস ঘোষ ও কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাশিস সুর। সভাপতিত্ব করেন ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের সভাপতি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান।

অনুষ্ঠানের অতিথিরা মোড়ক উন্মোচিত দুটি বই নিয়ে আলোচনা করেন। স্মরণ করেন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে তাঁরা বলেন, এই ক্ষণজন্মা মহাপুরুষের জন্ম না হলে আজ বিশ্বের বুকে বাঙালিদের নিজস্ব একটি আবাসভূমি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হতো না। বঙ্গবন্ধুই আজ বিশ্বের বাঙালি জাতির বিবেক। বাঙালিরা আজও স্বপ্ন বোনেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। তাঁর চিন্তা, চেতনা এবং দর্শন নিয়ে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের এক ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। এ সম্পর্ককে জোরদার করতে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। আমাদের শিল্প, বাণিজ্য ও সংস্কৃতির সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে আমরা আমাদের কলকাতার বাংলাদেশের ভিসাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে এবার আমরা কলকাতার সল্টলেকে আলাদাভাবে ভিসা অফিস স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এতে করে এবার বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য আর বর্তমান উপহাইকমিশনে এসে লাইন দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে হবে না। আধুনিক পদ্ধতিতে চালু করা হবে ভিসা ব্যবস্থা।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন