default-image

কলকাতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনটির সূচনা করেন উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান। এরপর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সন্ধ্যায় কলকাতার একটি অভিজাত হোটেলে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপনে কেক কাটা হয়। এতে কলকাতার কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদ, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনসহ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কলকাতায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা যোগ দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

বিজ্ঞাপন

রাজ্যপাল তাঁর ভাষণে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণা করে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান চিরস্মরণীয়। শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্ব বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরস্মরণে রাখবে। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। জগদীপ ধনখড় বলেন, ‘আজকের এই বিশেষ দিনে ঢাকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি প্রমাণ করেছে আমাদের এই ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক কত গভীর ও দৃঢ়।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন