বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেতারা এখন সাংবাদিকদের সামনে গিয়ে বড় বড় কথা বলেন, অথচ তাঁরাই ২০০৬ সালে ক্ষমতা থেকে যাওয়ার কিছুদিন আগে কলমের এক খোঁচায় আইন পরিবর্তন করে সমস্ত সাংবাদিককে শ্রমিক বানিয়ে দিয়েছিলেন।’

সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পঁচাত্তর সালের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় ছিলেন, এরশাদ সাহেব ছিলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি দুইবার ক্ষমতায় ছিল, সাংবাদিকদের কল্যাণের জন্য তাঁরা কিছু করেননি, কোনো ট্রাস্ট করেননি।’

বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন খুলনায় হুমায়ুন কবির বালু, মানিক সাহা ও যশোরে শামসুর রহমান, সাইফুল আলম মুকুলসহ অনেক সাংবাদিক হত্যার শিকার এবং শত শত সাংবাদিক নিগৃহীত হয়েছিলেন বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমাদের সরকার সাংবাদিকদের পাশে আছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে জনমত তৈরি হয়। সমাজ সঠিক বার্তা পায়। আবার কারও ভুল বা অসত্য লেখনীর মাধ্যমে সমাজ ভুল বার্তা পায়। দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র গঠনে ও সমাজকে ঠিক খাতে প্রবাহিত করতে সাংবাদিকেরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন, অন্য পেশার মানুষ সেভাবে পারেন না।’

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল, খুলনার উপকমিশনার মনিরুজ্জামান তালুকদার, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, এস এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন