বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বের নানা দেশের অবস্থা পর্যালোচনা করে সেসব দেশে করোনাভাইরাসে ঝুঁকি কতটা, এর ভিত্তিতে লাল ও সবুজ নামে দুটি তালিকা ছিল কাতারের। এখন এর বাইরে একটি ‘ব্যতিক্রমী লাল তালিকা’ করল দেশটি। মূলত এসব দেশের যাত্রীদের ক্ষেত্রে নতুন ভ্রমণবিধি কার্যকর করবে কাতার। আর নতুন বিধি আগামী শনিবার থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। দেশটিতে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন।

কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, দেশটির জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ‘কোভিড-১৯-এক্সসেপশনাল রেড লিস্ট কান্ট্রিজ’ তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই তালিকার কারণে বাংলাদেশ থেকে আসা-যাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এটি করা হয় করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত প্রটোকল ঠিকমতো অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য।

ব্যতিক্রমী লাল তালিকার দেশগুলোর যাত্রীদের যা করতে হবে

কাতারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ ব্যতিক্রমী লাল তালিকার দেশগুলো থেকে কাতারের বাসিন্দাদের ফেরার পর দুই দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। টিকার পূর্ণ ডোজ নেওয়া থাকলেও এই নিয়ম মানতে হবে। অপর দিকে কাতারে পৌঁছানোর আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এবং পৌঁছানোর পর ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্ট করাতে হবে।

আর টিকা না নেওয়া যাত্রীদের কাতারে পৌঁছানোর পর সাত দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশটিতে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্টের পাশাপাশি কোয়ারেন্টিনের ষষ্ঠ দিনেও টেস্ট করাতে হবে। সেই টেস্টে নেগেটিভ এলেই কেবল সপ্তম দিনে কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত হবেন ওই যাত্রী।

লাল তালিকায় এখন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৫৭টি দেশ আছে। এসব দেশ থেকে কাতারে ফেরা যাত্রীদের টিকা না নেওয়া থাকলে বা কোয়ারেন্টিনে না থাকলে কাতারে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টা আগে পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। আর দেশটির নাগরিক নন, এমন যাত্রীদের কাতারে পৌঁছে পিসিআর রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত দুই দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে কাতারের নাগরিকদের টিকার পূর্ণ ডোজ নেওয়া থাকলে লাল তালিকাভুক্ত দেশ থেকে এলেও কোয়ারেন্টিন করতে হবে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন