পুলিশ জানিয়েছে, কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসুলপুরের আল মদিনা মসজিদের গলির একটি ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন রাফিন ও তাঁর বাবা সোহেল রানা। কামরাঙ্গীরচরের এক তরুণীর সঙ্গে রাফিনের আসছে ঈদুল আজহায় বিয়ে হওয়ার কথা। তাঁদের দুজনের মধ্যে ফোনে কথা হতো। বৃহস্পতিবার সারা দিন রাফিনের ফোন না পেয়ে তরুণী তাঁর মাকে ওই বাসায় পাঠান খবর নিতে। বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁর মা বাসায় এসে দেখেন, দরজার বাইরে থেকে তালা লাগানো। জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন, রাফিনের রক্তমাখা লাশ পড়ে আছে। এ সময় তিনি ঘটনাটি কামরাঙ্গীরচর থানায় জানান।

পুলিশ বলেছে, তারা জানতে পেরেছে, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এক যুবক ওই বাসায় ঢুকেছিলেন। ওই যুবককে খুঁজছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, রাফিনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর তাঁর মুঠোফোনটি নিয়ে গেছেন খুনি।

কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাফিনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কারা কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন