বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন, কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষে আইনজীবী সফিকুল ইসলাম শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে আইনজীবী সফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। আদালত খালি ২৯টি পদে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে মৌখিকভাবে বলেছেন।

এর আগে দেশের কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা, বন্দীর পরিসংখ্যান, বর্তমান চিকিৎসকের সংখ্যা ও চিকিৎসকের শূন্য পূরণ নিয়ে ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জে আর খান রবিন রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৩ জুন হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় কারা কর্তৃপক্ষ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

গত বছরের ২৯ জানুয়ারি দাখিল করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কারা হাসপাতালে অনুমোদিত চিকিৎসকের পদের সংখ্যা ১৪১। আগে থেকে ৯ জন চিকিৎসক কাজ করছেন। সম্প্রতি আরও ১৫ জন চিকিৎসককে সংযুক্ত করা হয়। সেদিন হাইকোর্ট বন্দীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে দেশের কারাগারগুলোয় অনুমোদিত ১১৭টি শূন্য পদে কারা চিকিৎসক নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেন। বিলম্ব ছাড়াই ওই সব পদে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে বলা হয়। নিয়োগ বিষয়ে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ওই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন