এইচ এম এরশাদের শাসনামলে সংঘটিত নানা হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, কারা কখন কাকে প্রশ্রয় দিয়েছে, সে কথা সবার জানা।

এর আগে বিরোধীদলীয় হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতার ঘটনায় কাউকে যেন ছাড় দেওয়া না হয় সে দাবি তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার সংসদে মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।
আবুল মঞ্জুর হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘মঞ্জুর হত্যা মামলা তো কোল্ড স্টোরেজে পড়েছিল।’
এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমি সরকারের কাছে দাবি জানাই ছাত্রদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া হোক এবং ছাত্রলীগ নামধারীদের প্রচলিত আইনে নয়, অস্ত্র আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। এদের প্রশ্রয় দেওয়ার মানে বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসকে উসকে দেওয়া।’ তিনি এই ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।
জবাবে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘কে কখন কাকে প্রশ্রয় দিয়েছিল সেটা আমরা জানি। ডা. মিলন হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছিল বলে আমরা শুনিনি। অভি, নীরু, বাবুল—এদের কথাও বলতে চাই। কোহিনূর-তিব্বতের লাশ পাওয়া গিয়েছিল? এখন কোথায় তা-ও আমরা জানতে পারিনি।’ এ সময় জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হলেও তাঁরা কোনো মন্তব্য করেননি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, আওয়ামী লীগ কখনোই সন্ত্রাসীদের বরদাশত করবে না। বিশ্বজিত্ হত্যা মামলারও বিচার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন