বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুর থেকে এসেছেন মামুন তালুকদার। তাঁর সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট আজ রাত দুইটার দিকে। তিনি বলেন, ‘শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে ট্রলার ভাড়া করে, সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা, পিকআপ ভ্যানে করে এসেছি। ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন কর্মস্থলে যেতে পারব কি না, জানি না। ঢাকায় থাকারও জায়গা নেই।’
অভিবাসী শ্রমিক রফিকুল ব্যাপারী মাদারীপুর থেকে এসেছেন। তাঁরও আজ রাত দুইটার ফ্লাইটে সৌদি আরবে যাওয়ার কথা। তিনি বললেন, ‘ট্রাভেল এজেন্সি আমাদের সৌদি এয়ারলাইনসে খোঁজ নিতে বলেছে। ভিসার মেয়াদ আছে দুই দিন। যেতে না পারলে দায়ভার সরকার নেবে?’

রিয়াদে টাইলস মিস্ত্রির হিসেবে কাজ করছেন মো. আক্তার। তিনি এসেছেন ভোলা থেকে। লকডাউনে পরিবহন সংকটের কারণে ব্যাগ পরিবহনে আরেকজনকে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ২৩ তারিখ ছুটির তারিখ শেষ। কোম্পানি ছুটি না বাড়ালে সৌদিতে পরে আর ঢুকতে দেবে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন