default-image

সৌদিপ্রবাসী বাংলাদেশিদের ঢাকায় বিক্ষোভের জের ধরে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস যাত্রীদের রবিবার থেকে ফ্লাইট পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছে। সর্বাত্মক লকডাউনের কারণে গত চার দিন টিকিট বুকিং দেওয়া যাত্রীরা ফ্লাইটে যেতে পারেননি।
আজ শনিবার হোটেল সোনারগাঁয়ে সৌদিয়ার অফিসের সামনে বিক্ষোভকারী যাত্রীদের উদ্দেশে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার (বুকিং অ্যান্ড সেলস) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি আগামীকাল থেকে ফ্লাইট দেওয়ার। আগামীকাল সন্ধ্যা সাতটায়।’

এর আগে ঢাকার কারওয়ান বাজার মোড় অবরোধ করেন অন্তত দুই শতাধিক যাত্রী। ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের চার দিন যাঁদের ফ্লাইট ছিল, তাঁদের বিষয়ে সৌদি এয়ারলাইনস থেকে কোনো তথ্য না পাওয়ায় এবং সৌদি আরবে যাওয়ার অনিশ্চয়তার কারণে এ বিক্ষোভ হয়। পরে সৌদি এয়ারলাইনসের কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে রাস্তা ছাড়েন তাঁরা।

যাত্রীদের বেশির ভাগই সৌদি আরবে অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। সৌদিতে ফেরার জন্য তাঁরা বিভিন্ন তারিখের অগ্রিম টিকিট কেটে রেখেছিলেন। সে জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় এসেছেন তাঁরা। আজ সকাল ৯টা থেকে এয়ারলাইনসের অফিসের গেট বন্ধ পেয়ে বিক্ষোভে নামেন অভিবাসীরা।

বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুর থেকে এসেছেন মামুন তালুকদার। তাঁর সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট আজ রাত দুইটার দিকে। তিনি বলেন, ‘শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে ট্রলার ভাড়া করে, সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা, পিকআপ ভ্যানে করে এসেছি। ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন কর্মস্থলে যেতে পারব কি না, জানি না। ঢাকায় থাকারও জায়গা নেই।’
অভিবাসী শ্রমিক রফিকুল ব্যাপারী মাদারীপুর থেকে এসেছেন। তাঁরও আজ রাত দুইটার ফ্লাইটে সৌদি আরবে যাওয়ার কথা। তিনি বললেন, ‘ট্রাভেল এজেন্সি আমাদের সৌদি এয়ারলাইনসে খোঁজ নিতে বলেছে। ভিসার মেয়াদ আছে দুই দিন। যেতে না পারলে দায়ভার সরকার নেবে?’

রিয়াদে টাইলস মিস্ত্রির হিসেবে কাজ করছেন মো. আক্তার। তিনি এসেছেন ভোলা থেকে। লকডাউনে পরিবহন সংকটের কারণে ব্যাগ পরিবহনে আরেকজনকে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ২৩ তারিখ ছুটির তারিখ শেষ। কোম্পানি ছুটি না বাড়ালে সৌদিতে পরে আর ঢুকতে দেবে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন