বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কারাগারে আটক রাখার বৈধতা নিয়ে আব্বাস আলী ওই রিট আবেদনটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ ও সাজিদ আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

পরে সাঈদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৩ সালের ১৩ মার্চ থেকে আব্বাস কারাগারে আছেন। ১১টি মামলায় ইতিমধ্যে খালাস পেয়েছেন তিনি। ডাকাতির অভিযোগের মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। এ মামলায়ও তিনি জামিন পেয়েছেন। তারপরও তাঁকে আটক রাখার বৈধতা নিয়ে রিটটি করা হয়। আব্বাস আলীর পরিচয়, ব্যাক গ্রাউন্ড ও অপরাধের নথি চার সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে আব্বাসকে বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়নি, তা নিশ্চিতে কেন তাঁকে আদালতে হাজির করা হবে না—এ বিষয়ে রুল দিয়েছেন আদালত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন