করোনার রোগীদের চিকিৎসার জন্য স্থাপিত কুমিল্লা কোভিড-১৯ হাসপাতালে গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিট থেকে রাত ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে (৭ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের ব্যবধানে) আরও সাতজন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে এবং অপর ছয়জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। তাঁদের চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী।

মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার তিনজন এবং বরুড়া ও চান্দিনা উপজেলার দুজন করে। হাসপাতালের পরিচালক মো. মুজিবুর রহমান আজ সোমবার সকালে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত শনিবার রাতে ওই হাসপাতালে ছয়জন মারা যান। তার আগের দুদিনে চারজন করে মোট আটজন মারা গেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ৪৫ বছরের এক নারী শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২২ জুন ভর্তি হন। তিনি গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে মারা যান। একই উপজেলার ৫৫ বছরের এক নারী ২৬ জুন ভর্তি হয়ে গতকাল রাত ৯টা ১০ মিনিটে মারা যান। একই উপজেলার ৬০ এক বৃদ্ধ গতকাল দুপুরে ভর্তি হয়ে দিবাগত রাত দুইটায় মারা যান। বরুড়া উপজেলার ৫০ বছরের এক পুরুষ গতকাল দুপুরে ভর্তি হয়ে রাত ১২টা ২৮ মিনিটে মারা যান। একই উপজেলার ৬০ বছরের এক বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হয়ে গতকাল রাত দুইটায় মারা যান। তিনি এই হাসপাতালে ২০ জুন ভর্তি হন। এদিকে, চান্দিনা উপজেলার ৬৭ বছরের এক বৃদ্ধ গতকাল দুপুরে ভর্তি হয়ে রাত ১১টা ৪০ মিনিটে মারা যান। একই উপজেলার ৬৭ বছরের এক বৃদ্ধা ২৭ জুন ভর্তি হয়ে গতকাল রাত ২টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক চিকিৎসক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, বর্তমানে কোভিড হাসপাতালে ১০৮ জন রোগী ভর্তি আছে। এর মধ্যে করোনা রোগী ৩১ জন ও উপসর্গের ৭৭ জন। আইসিইউতে ভর্তি আছেন নয়জন। আজ সোমবার নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২৪ জন। এ হাসপাতালে গত ৩ মে থেকে আজ পর্যন্ত ৭১৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬৯ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১৩৯ জন। করোনায় ২৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১১৪ জন মারা যান।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন