কুষ্টিয়া শহরে শিউলী খাতুন হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় দেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিতি ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন সোহেল রানা। তিনি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মিনাপাড়া গ্রামের ইমান আলীর ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর এলাকার তৈয়ব আলীর মেয়ে শিউলী খাতুন। শিউলী কুষ্টিয়া শহরের কলেজ মোড় এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই এক ব্যক্তি তাঁকে বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। রাতে আর ফিরে আসেননি তিনি। পরদিন সকালে শিউলী খাতুনের লাশ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই শিউলীর ছোট ভাই শিমুল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অনুপ কুমার নন্দী। তিনি বলেন, মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার কণ্ডু একই বছরের ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0