বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র (সড়ক ও মহাসড়ক অংশ)’ প্রকল্পের অধীন বেড়িবাঁধ ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য অবৈধভাবে ওই দুই উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কুহেলিয়া নদী ভরাটের বৈধতা নিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) গত ১১ মার্চ রিটটি করে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবীর। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

পরে আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবীর প্রথম আলোকে বলেন, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে নদী ভরাটের কারণে ক্ষতিÿনিরূপন করতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বেলা জানায়, গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্রে যাওয়ার পথ তৈরি করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নদীর সাড়ে সাত কিলোমিটার জায়গা ভরাট করে নির্মাণ করতে যাচ্ছে চার লেনের সড়ক। নদীর পূর্ব অংশ থেকে উত্তোলিত বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে নদীর পশ্চিম অংশ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন