বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে রির্টানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের কাছে আজ বৃহস্পতিবার মনোয়ার হোসেন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলকোট ইউপির সামনে কার্যালয়টি ভেঙে মাটিতে পড়ে আছে। আসবাবপত্র ভাঙা। বাঁশের খুঁটিগুলো মাটিতে পড়ে আছে। কাপড়গুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

মনোয়ার বলেন, ওই কার্যালয় ভাঙা হয়েছে বললে ভুল হবে, আসলে কার্যালয়টি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আসবাবপত্র ভেঙে ফেলা হয়েছে। চেয়ার–টেবিল ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি বলেন, কাদের তাঁদের কর্মীদের অব্যাহতভাবে হুমকি দিচ্ছেন। আনারস প্রতীকের কর্মীর মাঠে থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জোর করে ভোট কেটে নেওয়া হবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে আবদুল কাদের বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাতের আঁধারে নিজেরা কার্যালয় ভেঙে নাটক সাজিয়ে আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছেন তাঁরা। কোনো সংঘাতে বিশ্বাসী নই আমি।’ হুমকি–ধমকির বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।

উপজেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিকেলে নির্বাচনসংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য বর্তমান চেয়ারম্যান মনোয়ার বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সম্প্রতি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদে ছিলেন। এ ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন কাদের বিশ্বাস। কেশবপুরে পঞ্চম ধাপে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন