বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিআইজিডির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে কোভিড-১৯–এর মধ্যে বহু নারী চাকরি হারিয়েছেন, অন্য চাকরি খুঁজে পেতে খুব কঠিন সময় কাটিয়েছেন। তাঁদের আয়ের পথ খুব ধীরে উন্মুক্ত হচ্ছে। দেশে মহামারির আগে আয়মূলক কাজে নিযুক্ত তরুণীদের ২৯ শতাংশ চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে চাকরি হারিয়েছেন। এ হার কাজ হারানো তরুণদের (১১ শতাংশ) তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি। যে তরুণীরা পুনরায় উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পেরেছেন, তাঁদের আয় মহামারির আগের আয়ের থেকে ২১ শতাংশ কম। অন্যদিকে কাজ হারানো তরুণদের মধ্যে যাঁরা নতুন করে কাজে যুক্ত হয়েছেন, তাঁদের আয় আগের চেয়ে ১০ শতাংশ কম। অর্থাৎ তরুণদের তুলনায় তরুণীদের আয় পুনরুদ্ধারের হার বেশ কম।

সমীক্ষায় উত্তরদাতারা উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো, হস্তশিল্প, কারখানার চাকরি, দরজির কাজ এবং হালকা প্রকৌশলের মতো ক্ষেত্রে সাধারণত তরুণীদের কর্মসংস্থান হতো। কিন্তু এ খাতগুলোই মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। এ খাতগুলোকে আগের অবস্থায় নিয়ে আসা খুব কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। তাই করোনাকাল শেষে তরুণীদের জন্য চাকরিতে ফিরে আসতে অসুবিধা হবে।

জরিপের ফলাফল তুলে ধরে ইমরান মতিন বলেন, দীর্ঘ সময় বেতনহীন থেকে অনেক শ্রমজীবী নারী স্থায়ীভাবে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হতে পারেন, যা শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণের স্বল্প হারকে আরও কমাতে পারে। সংশোধনমূলক ব্যবস্থা না নিলে কোভিডের আঘাত নারীর ক্ষমতায়নের অনেক অগ্রগতি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পারে।

ওয়েবিনারে বক্তারা প্রযুক্তিগত ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার গুরুত্ব, স্থানীয় ও বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত দক্ষতার প্রশিক্ষণ এবং বিকাশে সচেতনতার ওপর জোর দেন।
পরে ব্র্যাক স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের বর্তমান ইনচার্জ তাসমিয়া তাবাসসুম রহমান আলোচনা সভার সঞ্চালনা করেন। এতে অংশ নেন ব্র্যাকের জেন্ডার, বিচার ও ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের পরিচালক নবনীতা চৌধুরী, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার তাহমিদ আরিফ এবং নাটোরভিত্তিক নেদা সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক জাহানারা বিউটি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন