বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মোহাম্মদ রূবায়েত খানকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্য হলেন একই মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রবিউল ইসলাম। তিনি শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার চিঠি পেয়েছি। আমরা কাজ শুরু করেছি। আগামী মঙ্গলবার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। ক্রীড়া পরিদপ্তরের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

গতকাল শুক্রবার ‘ক্রীড়া পরিদপ্তরের ৫ পদে ১০ জনের নিয়োগে জালিয়াতি’ শিরোনামে প্রথম আলোয় খবর প্রকাশিত হয়। প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জনবল নিয়োগ দিতে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল ক্রীড়া পরিদপ্তর। এরপর হিসাবরক্ষক, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক, গ্রাউন্ডসম্যান, নিরাপত্তাপ্রহরী ও মালি পদে ২৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ৫টি পদে ১০ জন নিয়োগ পেয়েছেন জালিয়াতি করে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কেবল ২৯ জেলার বাসিন্দারা এসব পদে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাতে রংপুর জেলার নাম নেই। অথচ এই জেলার সাতজন নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁরা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে বিভিন্ন জেলার কোটায় নিয়োগ পান। একইভাবে গোপালগঞ্জ জেলার একজন নিয়োগ পান ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সেজে। যশোর জেলার কোটা না থাকলেও ওই জেলার ঠিকানা দেখিয়েই চাকরি পান একজন। আবার সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন