default-image

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের অবরোধ-হরতালের সময় ভাঙচুর ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বাস, ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহনের মালিকদের সহায়তার চেক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর তেজগাঁও কার্যালয়ে ১৫৬টি গাড়ির ১৪৬ জন মালিককে ৪ কোটি ২০ লাখ ৬৫ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন। প্রতিটি গাড়ির মালিককে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়। খবর বাসসের।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, গত জানুয়ারি থেকে হরতাল ও অবরোধ চলাকালে বাস-ট্রাকসহ প্রায় এক হাজার ৮০০ যানবাহন পুড়ে গেছে বাÿক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত ৮২৩টি গাড়ির মালিক আর্থিক সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। মন্ত্রী জানান, ধাপে ধাপে অন্যদেরও সহায়তা দেওয়া হবে।
ভূমি ব্যবস্থাপনা তদারকিতে পৃথক সংস্থা গঠনের নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ভূমির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা তদারকির জন্য পৃথক একটি সংস্থা গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তায় জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানুষ অধিক উপকৃত হয়।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল তাঁর কার্যালয়ে জাতীয় ভূমি ব্যবহার কমিটির প্রথম বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী ও কমিটির প্রধান শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামিম চৌধুরী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, জমির সুষ্ঠু ব্যবহার এবং আবাদি জমিতে যেন শিল্প ও আবাসন গড়ে না উঠে তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ ও জলাশয়ও সংরক্ষণ করতে হবে। তিনি জমি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়গুলোর দপ্তর ও অধিদপ্তরসহ অধীন সংস্থাগুলো একই কমপ্লেক্সে নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর হত্যাযজ্ঞে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে পল্লি অবকাঠামো বিশেষ করে পল্লি অঞ্চলে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তুলতে ‘গ্রাম উন্নয়ন আইন’ প্রণয়ন এবং শহর উন্নয়ন আইনের কঠোর বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন যুগোপযোগী করার প্রস্তাব করা হয়। বৈঠকে আবাসন এবং শিল্প-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে জমি অধিগ্রহণের আগে ভূমির অঞ্চলভিত্তিক নকশা (জোনিং ম্যাপস অব ল্যান্ড) তৈরি করতে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে জাতীয় ভূমি ব্যবহার কমিটিতে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি রেলমন্ত্রী ও রেল মন্ত্রণালয়ের সচিবকে অন্তর্ভুক্ত¯করার সিদ্ধান্ত হয়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন