বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কড়াইলের বেদে বস্তিতেও এ চিত্র লক্ষ করা যায় বলে জানান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। তবে এসব সমস্যা সমাধানে ইউকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন হেলেন গ্রান্ট।

করাইলের বেদে বস্তিতে এ প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা ভাতা, ব্যবসায়িক অনুদান, পুষ্টি সহায়তা ও শিক্ষানবিশদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। যা শিক্ষা গ্রহণ ও নারী উপার্জনের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী নির্যাতন ও সহিংসতা কমিয়ে আনতে ভূমিকা রাখছে।

default-image

প্রকল্পের সেফ কমিউনিটি কমিটির মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি, নির্যাতন বন্ধে সামাজিক ও আইনি সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া স্থানীয় লোকজনের উন্নয়নে অবকাঠামো—হাঁটাপথ, নর্দমা, সৌরবাতি ও শৌচাগার প্রভৃতি নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এখনো অনেক মানুষের সহায়তা প্রয়োজন বলে জানান প্রকল্পের কর্মকর্তারা। হেলেন গ্রান্টও প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বস্তি পরিদর্শনের সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুডিথ হার্বাটসন, ইউএনডিপি বাংলাদেশের রেসিডেন্সিয়াল রিপ্রেজেনটেটিভ সুদীপ্ত মুখার্জি, প্রকল্পের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রতিনিধি ও বস্তিবাসী উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন