বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলাগুলোতে আসামিদের বিরুদ্ধে মোট প্রায় ১৮৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৯৬ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়। আসামিরা হলেন আবদুল খালেক পাঠান, তাঁর স্ত্রী ফিরোজা বেগম, ছেলে মো. মাসুম পাঠান এবং দুই মেয়ে খালেদা পারভীন ও তানসিন কেয়া। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের সম্পদ বিবরণী জমা দিতে দুদকের পক্ষ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। পরে তাঁরা সম্পদের হিসাব দাখিল করেন।

দুদক বলছে, সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা করে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলায় বলা হয়, দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে আবদুল খালেক পাঠান তাঁর নামে প্রায় ৪৪৭ কোটি টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকার সম্পদ গোপনের তথ্য গোপন করা এবং প্রায় ১৩৪ কোটি টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস না থাকার অভিযোগ আনা হয়।

খালেকের স্ত্রী এবং কেয়া গ্রুপ ও কেয়া কসমেটিকসের পরিচালক ফিরোজা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তিনি প্রায় ২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন ও প্রায় ১৭ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন