বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা গতকাল শুক্রবার রাত ১১টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে পৌঁছেনি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় গত বুধবার আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রাজধানীর রমনা, গুলশান ও ক্যান্টনমেন্ট থানায় পৌঁছানোর নির্দেশ দেন আদালত।
গতকাল রাত ১১টার দিকে যোগাযোগ করা হলে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান, গুলশান থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি আতিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের থানায় এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছেনি।
খালেদার কার্যালয়ে রুলের নোটিশ: হরতাল-অবরোধের নামে সহিংস ও প্রাণঘাতী কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জারি করা হাইকোর্টের রুলের নোটিশ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে পৌঁছেছে। গতকাল বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের রিট সেকশনের পিয়ন মো. হুমায়ুন ইসলাম খান নোটিশটি বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের এক সদস্যের হাতে পৌঁছে দেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের একজন সদস্য প্রথম আলোকে নোটিশ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
চলমান হরতাল-অবরোধে নাশকতার চিত্র তুলে ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে কেরানীগঞ্জের ব্যবসায়ী শাহীনূর রহমান একটি রিট আবেদন করেন। মাধ্যমিক পরীক্ষার বিষয়ে জনস্বার্থে কেরানীগঞ্জের ইস্পাহানী উচ্চবিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির শফিউল আযম খান অপর রিট আবেদনটি করেন। একটি রিটে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র্যাবের মহাপরিচালক, বিজিবির মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিএনপির চেয়ারপারসনসহ ১৬০ জন ও অপরটিতে ওই ব্যক্তিরাসহ ১৬২ জনকে বিবাদী করা হয়।
দুটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ কয়েকটি বিষয়ে রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। হরতাল-অবরোধের নামে সহিংস ও প্রাণঘাতী কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন