প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার সাত দফায় জনগণের কল্যাণে কোনো দাবি নেই। সব দাবিই ব্যক্তিস্বার্থে। এ কারণে তাঁর আন্দোলনে মানুষ সাড়া দেয়নি। সংসদের প্রশ্নোত্তরে গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সরকারি দলের মনিরুল ইসলামের এ-সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে জামায়াত-শিবির, বিএনপির বিপথগামী কিছু লোক ও সন্ত্রাসী দিয়ে নাশকতা চালাচ্ছেন। এই নাশকতা বন্ধ না হলে সরকার সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, নাশকতায় গত ৫২ দিনে ১০১ জন মারা গেছে। যাদের অধিকাংশকেই আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। ১ হাজার ১৭৩টি যানবাহন ও ছয়টি লঞ্চে আগুন দেওয়া হয়েছে। ট্রেনে ২৫ দফায় নাশকতা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে জানুয়ারি ২০১৫ পর্যন্ত ৬৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ২৫১ মেগাওয়াট ও ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ সর্বমোট ৫ হাজার ৭৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করেছে। আবদুর রহমানের (বদি) প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারিভাবে নির্মাণাধীন ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৬ হাজার ৯৮৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
জাতীয় পার্টির এম এ হান্নানের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ দেশের দারিদ্র্যসীমা ১৩ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। ২০১০ সালে দারিদ্র্যসীমা ছিল ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের মধ্যে দারিদ্র্যসীমার হার ২২ দশমকি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন