বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার গত বছরের জুনে রাশেদ চৌধুরীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন পুনর্বিবেচনার জন্য উদ্যোগ নেন।

উইলিয়াম বার এ বিষয়ে একই বছরের ১৭ জুন এক অন্তর্বর্তী আদেশে বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলকে রাশেদ চৌধুরীর মামলাটি পুনর্বিবেচনার নোটিশ দেন। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল ওই মামলায় জড়িত বিভিন্ন পক্ষের মতামত চান। ঢাকার কর্মকর্তারা মনে করেন, মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেলের ওই সিদ্ধান্ত এখনো বলবৎ আছে।

রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন গতকাল এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা করব। নতুন মার্কিন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিবর্তন হয়েছে। তবে বাংলাদেশ আশা করে, এতে আইনি যে প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছে, তাতে কোনো প্রভাব পড়বে না।’

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ বিষয়টি তুলবে। একই সঙ্গে এটি দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ জানাবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি এখনো পালিয়ে আছেন। তাঁদের মধ্যে রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে ও নুর চৌধুরী আছেন কানাডায়। বাকি তিনজন খন্দকার আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম ও মোসলেমউদ্দিনের অবস্থান অজানা।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান রাশেদ চৌধুরী। পরে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। ২০০৪ সালে দেশটির অভিবাসন বিচারক এই আবেদন মঞ্জুর করেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি আপিল করে। ২০০৬ সালে ওই আপিল খারিজ হয়ে যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন