default-image

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৩২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে কোভিড–১৯ রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১২৩।

এদিকে খুলনা জেলায় রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। যশোর ও কুষ্টিয়ায় রোগীর সংখ্যা হাজার ছুঁইছুঁই। বিভাগের একমাত্র জেলা হিসেবে মেহেরপুরে এতদিন রোগীর সংখ্যা ১০০ এর নিচে ছিল। মেহেরপুরেও রোগী সংখ্যা ১০০ হয়েছে।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. মনজুরুল মুরশিদ আজ রোববার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, বিভাগে নতুন করে ২৯৭ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে সুস্থ হলেন ২ হাজার ৯৫৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় বিভাগে সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৪২ শতাংশ।

খুলনা বিভাগের মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় প্রথম কোভিড–১৯ রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ মার্চ। পরবর্তী ৭৩ দিনে শনাক্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়ায়। গত ১০ জুলাই ১১৪তম দিনে রোগীর সংখ্যা সাড়ে ছয় হাজার ছাড়ায়। আজ ১২ জুলাই ১১৬তম দিনে রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ছাড়াল।

নতুন শনাক্ত ২৩২ জনের মধ্যে খুলনা জেলায় ৯৩ জন, বাগেরহাটে ২৩ জন, যশোরে ১৬ জন, ঝিনাইদহে ২৫ জন, কুষ্টিয়ায় ১২ জন, মাগুরায় একজন, মেহেরপুরে ২ জন, নড়াইলে ১৭ জন এবং সাতক্ষীরায় ৪৩ জন আছেন। এই সময়ে চুয়াডাঙ্গায় কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে সংক্রমণ ও মৃত্যু—দুই সূচকেই বিভাগের মধ্যে খুলনা এগিয়ে। মোট সংক্রমিত ৭ হাজার ৫২ জনের মধ্যে ৩ হাজার ৩০ জনই খুলনা জেলার। বিভাগের মোট রোগীর ৪৩ শতাংশ খুলনার। এ ছাড়া বাগেরহাটে ৩১১ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২৯২ জন, যশোরে ৯৮৯ জন, ঝিনাইদহে ৪১৫ জন, কুষ্টিয়ায় ৯৩৮ জন, মাগুরায় ১৯৪ জন, মেহেরপুরে ১০০ জন, নড়াইলে ৩৯১ জন ও সাতক্ষীরায় ৩৯২ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

বিভাগে ১২৩ জন কোভিড–১৯ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে খুলনায় সবচেয়ে বেশি ৪৬ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় ১৯ জন, যশোরে ১৫ জন, ঝিনাইদহ ও নড়াইলে ৮ জন করে, মাগুরায় ৭ জন, মেহেরপুর ও বাগেরহাটে ৬ জন করে, সাতক্ষীরা ৫ জন এবং চুয়াডাঙ্গায় ৩ জন মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0