বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলার মোট ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টিতে আওয়ামী লীগের ১২ জন বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার প্রত্যাহারের শেষ দিনে গিদারি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুর রউফ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। বাকি ১১ জন বিদ্রোহীকে আজ তাঁদের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অব্যাহতি পাওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি আয়নাল হক, মালিবাড়ি ইউনিয়নের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম, কুপতলা ইউনিয়নে জেলা যুবলীগের সদস্য ইমাম হাসান, সাহাপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মওলা, বল্লমঝাড় ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার রহমান, বাদিয়াখালি ইউনিয়নের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতোয়ার রহমান ও ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক সাফায়েতুল হক, বোয়ালি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, কামারজানি ইউনিয়নের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মতিয়ার রহমান ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুন্নবী সরকার।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এবং গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড করায় দলের পদ–পদবি থেকে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে দল থেকে তাঁদের চূড়ান্ত বহিষ্কার করার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিনি ইউনিয়নটির চেয়ারম্যান ছিলেন। দলের ত্যাগী নেতা। কিন্তু দল তাঁকে মূল্যায়ন করেনি। তাই জনগণের অনুরোধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলের সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন।
দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১৩টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নির্বাচন ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে মোট ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন