বিজ্ঞাপন

ওই গৃহবধূর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার কম্বলপাড়া এলাকার একজনের সঙ্গে এক বছর আগে পারিবারিকভাবে মির্জাপুরের ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামী, স্ত্রী ও পরিবারের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। পরে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী কালিয়াকৈরের বাশাকৈর এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। এতেও স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া-বিবাদ থামেনি। এর জের ধরে স্ত্রীকে একা রেখে স্বামী চলে যান। বাড়িতে কেউ নেই, এই সুযোগে রাফি মঙ্গলবার রাতে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। ওই গৃহবধূ ঘটনাটি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখালে রাফি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর মাথায় কাঠ দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে রাফি তাঁর লাশ বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

বুধবার সকালে তাঁকে বাসায় না পেয়ে স্বজনেরা তাঁর খোঁজ শুরু করেন। পরে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন তাঁরা। পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে মির্জাপুরের চানপুর এলাকা থেকে রাফিকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা করেছেন।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার রাফি প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন