সংস্কৃতি সংবাদ

গানে মাতালেন সমরজিৎ

বিজ্ঞাপন
default-image

শিল্পী সমরজিৎ রায় উচ্চাঙ্গসংগীতের শিক্ষক। কিন্তু আধুনিক গানেও তাঁর জুড়ি নেই। ২৪ মে সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম মিলনায়তনে গানে গানে শ্রোতাদের ভাসালেন সুরের ভেলায়। অনুষ্ঠান আয়োজন করে আনন্দ সাংস্কৃতিক অঙ্গন।

সমরজিৎ শুরু করেন সুবীর সেনের বিখ্যাত গান ‘এত সুর আর এত গান’ দিয়ে। পরপর গেয়ে যান ‘যেন কিছু মনে কোরো না’, ‘ও রূপসী চাঁদ’, ‘তুমি সুন্দর যদি নাহি হও’, ‘বধূয়া আমার চোখে জল এনেছে’, ‘ও আকাশপ্রদীপ জ্বেলো না’, ‘মন মাতাল সাঁঝ সকাল’, ‘যদি কাগজে লেখো নাম’, ‘জীবনে কী পাবো না, ‘সঁইয়া তু হে কহাঁ’, ‘আমি যামিনী তুমি শশী হে’, ‘আমি আজ আকাশের মতো একেলা’, ‘আজ জানে কী জিদ না করো’ প্রভৃতি গান। দর্শকের অনুরোধে শিল্পীকে গাইতে হয় বেশ কয়েকটি গান।

default-image

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্বর্ণযুগের কিংবদন্তি শিল্পী মৃণাল চক্রবর্তীকে মরণোত্তর সংবর্ধনা। তাঁর সহধর্মিণী উমা চক্রবর্তীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক মনোজ সেনগুপ্ত। অতিথি ছিলেন আর্য্য সংগীত সমিতির সহ–অধ্যক্ষ পণ্ডিত নির্মলেন্দু চৌধুরী, শিল্পী মৃণাল চক্রবর্তীর ছেলে রাজশেখর চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী পারমিতা চক্রবর্তী প্রমুখ।

মৃণাল চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য গান হলো ‘ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে’, ‘কথা রাখার কথা ছিল তোমারই আমার তো নয়’, ‘কথা দাও ভুলবে না গো’, ‘খোলা জানালার ধারে মাথা রেখে’।

মৃণাল চক্রবর্তীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সমরজিৎ গেয়ে শোনান ‘নদী চলে যাবেই জানি সাগরের টানে’। গানটি গাওয়ার সময় শিল্পী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

অনুষ্ঠানে তবলায় ছিলেন লিটন মিত্র, কি-বোর্ডে সৃজন রায়, লিড গিটারে রাজীব ঘোষ, বেজ গিটারে সজল সরকার ও অক্টোপ্যাডে জুয়েল দাশ। উপস্থাপনা করেন আঁখি মজুমদার।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন