মামলার অন্য আসামিরা হলেন ওয়ান স্পিনিং মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদ, পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন মিয়া, এ এইচ এম জাহাঙ্গীর ওরফে আবু হাসান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, রাজিব সিরাজ ও ওরিয়ন মাশরুম লিমিটেডের পরিচালক জি আর চৌধুরী ওরফে গোলাম রব্বানী চৌধুরী।

এ ছাড়া সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মুহম্মদ তাহমিলুর রহমান, সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিজিএম) মো. আমানুল্লাহ, সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মিজানুর রহমান ও সাবেক মহাব্যবস্থাপক (স্থানীয় কার্যালয়) মো. শফিকুর রহমান, ব্যাংকের শিল্প ঋণ বিভাগের (স্থানীয় কার্যালয়) সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক খন্দকার মোশারফ আলী ও সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (স্থানীয় কার্যালয়) মো. কামরুল ইসলাম, বৈদেশিক বিনিময় বিভাগের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আবু জাফর মো. সালেহ, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. আলী আরশাদ, বৈদেশিক বিনিময় বিভাগের সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. আবু মুসা ও আবদুল গফুর ভূঁইয়া, ব্যাংকের (স্থানীয় কার্যালয়) সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আতিকুর রহমান ও এস এম এম আওলাদ হোসেন, বৈদেশিক বিনিময় বিভাগের সাবেক সহকারী প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আবদুর রাজ্জাক, একই বিভাগের সাবেক সিনিয়র সহকারী প্রিন্সিপাল অফিসার ওয়াহিদ উদ্দিন আহম্মদ ও সাবেক সিনিয়র অফিসার (এফ এ) মো. শাহ আলমকে আসামি করা হয়েছে।

এ মামলার অন্যতম আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। মায়ের মৃত্যুর পর ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কয়েক ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, অর্থ পাচার, কর ফাঁকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা আছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন