পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কে জি মোস্তফা মূলত গীতিকার হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি একজন সফল সাংবাদিক ও কলামিস্টও ছিলেন। ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৮ সালে দৈনিক ইত্তেহাদে শিক্ষানবিশ হিসেবে সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি হয় তাঁর।

ওই বছরেই দৈনিক মজলুমে সহসম্পাদক পদে নিয়োগ পান কে জি মোস্তফা।

পত্রিকাটি বন্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত সেটিতেই কাজ করেছেন তিনি। এরপর দীর্ঘ বিরতি শেষে ১৯৬৮ সালে সাপ্তাহিক জনতায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।

স্বাধীনতার পর কে জি মোস্তফা প্রথমে দৈনিক গণকণ্ঠ ও পরে দৈনিক স্বদেশে চিফ রিপোর্টারের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর দৈনিক জনপদে কূটনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেন।

১৯৭৬ সালে কে জি মোস্তফা চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। পদোন্নতি পেয়ে প্রথমে সম্পাদক ও পরে সিনিয়র সম্পাদক পদে উন্নীত হন তিনি।

১৯৬০ সাল থেকে চলচ্চিত্র, রেডিও ও টেলিভিশনে কে জি মোস্তফার লেখা প্রচুর গান প্রচারিত হয়। তাঁর গানে উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী তালাত মাহমুদসহ বাংলাদেশের খ্যাতিমান প্রায় সব শিল্পী কণ্ঠ দিয়েছেন।

কে জি মোস্তফার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তোমারে লেগেছে এত যে ভালো, চাঁদ বুঝি তা জানে’ ও ‘আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন’। একসময় তিনি নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালনার দিকেও ঝুঁকেছিলেন। সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন ‘মায়ার সংসার’, ‘অধিকার’ ও ‘গলি থেকে রাজপথ’ ছবিতে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন