বিজ্ঞাপন

যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের অব্যাহতভাবে গুমের ঘটনা (বিশেষত রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষ ও ভিন্নমতাবলম্বীদের টার্গেট করে) অস্বীকার এবং এই গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনীহা নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং নির্যাতনবিরোধী সনদে সই করেছে বাংলাদেশ। গুমের ঘটনাগুলো এসব চুক্তি ও সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।
করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশে গুমের ঘটনা বন্ধ হয়নি বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশি সংগঠন অধিকারের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১১ জন গুম হয়েছেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, গুম হওয়া ব্যক্তিরা নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। কেউ কেউ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তবে অধিকাংশই বছরের পর বছর নিখোঁজ থাকেন। আবার কাউকে কাউকে পরে সরকারি হেফাজতে পাওয়া যায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হিসেবে।

সংগঠনগুলো বলছে, গুম হওয়া ব্যক্তিদের খোঁজ না পেয়ে অনিশ্চিত ও দুঃসহ জীবন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের। এমনকি বিভিন্ন সময় জাতিসংঘসহ দেশি–বিদেশি অধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ জানানোর পরও সরকারের পক্ষ থেকে গুমের ঘটনাগুলো অস্বীকার করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা পরিহার করে গুম হওয়া ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন