বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফরিদা খন্দকার বলেন, পরশু রাতে শরীর একটু বেশি খারাপ করে। শ্বাসকষ্ট বেশি হলে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার দু–তিন ঘণ্টা পরই আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এ কে খন্দকার এমনিতে প্রায় ১০ বছর ধরে কিছু মনে রাখতে পারেন না, কথা বলতে পারেন না। তিনি বলেন, ‘দুই বছর ধরে ক্যাথেটার লাগানো, খাওয়াদাওয়া করেন নাকে লাগানো নল দিয়ে। আমি বাইরের কাউকে আসলে এত দিন কিছু জানাইনি।’

শারীরিক অবস্থার বিষয়ে ফরিদা খন্দকার বলেন, ‘ডাক্তাররা এখনো সরাসরি কিছু বলছেন না আসলে। শুধু বলছেন, আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। এখন দেখা যাক কী হয়। তা ছাড়া শুক্রবার সারা দিন তাঁর কোনো খবর পাইনি। পরে একজন শুধু জানালেন, এখন যন্ত্রের মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়া লাগছে না।’

এ কে খন্দকার ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ওই সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। এর আগে নবম জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এর আগে এরশাদ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে এ কে খন্দকারকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়। তিনি সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
তাঁর লেখা বই ‘১৯৭১: ভেতরে–বাইরে’।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন