বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, ৯ মাস আগে কাজল রেখার স্বামী রেজাউল ইসলাম মারা যান। মারা যাওয়ার আগে রেজাউল তাঁর স্ত্রীর নামে চার শতক জমি লিখে দেন। ওই জমির ওপর লোভ ছিল রেজাউলের চাচাতো ভাই আজগর হোসেন ও রিপন হোসেনের। যে কারণে ওই জমি থেকে বিতাড়িত করতে ছয় মাস আগে কাজল রেখার নামে পরকীয়ার অপবাদ তুলে স্থানীয় সালিসে কাজল রেখার সঙ্গে প্রতিবেশী নওয়াব আলীর বিয়েও দেন স্থানীয় মাতবরেরা। নওয়াব আলীর সঙ্গে বিয়ের পরও প্রথম স্বামীর দেওয়া জমিতে বসবাস করেন কাজল রেখা। সম্প্রতি আজগর ও রিপন তাঁদের ভাই রেজাউলের জমি ফেরত নেওয়ার জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে গতকাল শনিবার দুপুরে সালিস বৈঠক বসার সিদ্ধান্ত হলে আজগর ও রিপনের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন কাজল রেখাকে মারতে আসেন। একপর্যায়ে ওই গ্রামের ইউপি সদস্য প্রার্থী রাজিবুল হক ওরফে শিমুল নামের এক ব্যক্তি কাজল রেখাকে গাছে বাঁধতে নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে গাছে বেঁধে মারপিট করে মাথার চুল কেটে মুখে চুনকালি মাখিয়ে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে কাজল রেখাকে বাঁচাতে দ্বিতীয় স্বামী নওয়াব আলীর ছেলে রয়েল এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়।

default-image

পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে আজগর, রিপনসহ কয়েকজন আহত হন। পরে দুই পরিবারের স্বজনেরা তাঁদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জানতে চাইলে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এক নারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে গাছে বেধে মারপিট করে মাথার চুল কেটে শ্লীলতাহানির অপরাধে সাতজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন