বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ই-সিমকে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ উল্লেখ করে গ্রামীণফোন বলছে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও উদ্ভাবনে জলবায়ুসংক্রান্ত বিষয়কে প্রাধান্য দিতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ই-সিমের ব্যবহার বেড়ে হবে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য হুমকি। বর্তমান ও ভবিষ্যতের সুরক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রকৃতির সুরক্ষায় ই-সিম তাঁদের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, গ্রামীণফোনের নতুন ই-সিম সংযোগ পেতে হলে ক্রেতাদের ই-সিম সমর্থন করে, এমন ডিভাইস নিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের গ্রামীণফোনের এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে যেতে হবে। সেখানে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষে ই-সিমের জন্য অনুরোধ করতে হবে। গ্রামীণফোনের অনলাইন শপের মাধ্যমেও এই সিমের জন্য অনুরোধ করা যাবে।

গ্রামীণফোনের যেসব সেন্টারে ই-সিমের সুবিধা পাওয়া যাবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে জিপি হাউস এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার; জিপিসি লাউঞ্জ, গুলশান; জিপিসি লাউঞ্জ, জিইসি, চট্টগ্রাম; জিপি অনলাইন শপ; মতিঝিল জিপিসি; ফার্মগেট জিপিসি; বসুন্ধরা সিটি জিপিসি; ঢাকা বিমানবন্দর জিপিসি; উত্তরা জসীমউদ্‌দীন রোড জিপিসি; সীমান্ত স্কয়ার জিপিসি; ধানমন্ডি জিপিসি ও সিলেটের করিমুল্লাহ মার্কেট জিপিসি।
ই-সিমের ক্ষেত্রে নতুন সংযোগের মূল্য হবে ২০০ টাকা। এ ছাড়া প্লাস্টিক সিম থেকে ই-সিম বা ই-সিম থেকে ই-সিমে রিপ্লেসমেন্ট করতে হলে ৯৯ টাকা ফি দিতে হবে। বহু নেটওয়ার্ক ও নম্বর একটি ই-সিমে সংযুক্ত করা যাবে। তবে এটা নির্ভর করবে হ্যান্ডসেটের ওপর।

গ্রামীণফোন বলেছে, ই-সিম প্রচলিত সিম কার্ড ও ট্রের ধারণাকে অকার্যকর করে ফেলবে। এর মাধ্যমে অবশিষ্ট জায়গায় ফোনের ব্যাটারির আকার বৃদ্ধি করা যাবে ও হ্যান্ডসেটে আরও ফিচার যুক্ত করা যাবে। ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে বলে সিম কার্ড হারিয়ে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকবে না। একই সঙ্গে সিম পিনের ঝামেলা থেকেও গ্রাহকেরা রক্ষা পাবেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন