বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে অনলাইন বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসির ম্যান্ডেট অনুসারে একটি স্বাধীন ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে ২০ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম রিট করেন।

ডিজিটাল বা ই–প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরির জন্য অর্থনীতিবিদ, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, ব্যবসায়ী ও অন্য অংশীজনদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে অপর রিটটি করা হয় ২৩ সেপ্টেম্বর। পণ্যের জন্য ১৬ কোটি টাকা দিয়ে পণ্য ও অর্থ ফিরে না পেয়ে ৩৩ জন গ্রাহকের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ওই রিট করেন। এতে রিট আবেদনকারীসহ ই–কর্মাস প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের আরজিও রয়েছে।

কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা ব্যর্থতায় ইভ্যালি, আলিশা মার্ট, ই–অরেঞ্জ, ধামাকা, দারাজ, কিউকম, আলাদিনের প্রদীপ ও দালাল প্লাসের মতো পরিচিত বাজার থেকে পণ্যের জন্য লাখ লাখ গ্রাহকের ক্ষতি ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ণয়ে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারকের নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট অনুসন্ধান কমিটি গঠন চেয়ে অপর রিটটি করা হয়। মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন, ইভ্যালি ও ই-ওরেঞ্জের দুজন গ্রাহকের পক্ষে ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির ওই রিট করেন।

পৃথক রিট আজ হাইকোর্টের ওই বেঞ্চের কার্যতালিকায় ৫৪, ৯৩ ও ৯৪ নম্বর ক্রমিকে ছিল। দিনের প্রথমার্ধে একটি রিট ও বিরতির পর অপর রিটের ওপর শুনানি হয়। আদালতে রিটের পক্ষে ক্রম অনুসারে আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম, শিশির মনির ও হুমায়ন কবির শুনানিতে অংশ নেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন