মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনায় ভারতের পূর্ব রেলের চিফ পাবলিক রিলেশনস অফিসার রবি মহাপাত্র বলেন, ‘ঘটনাটি মারাত্মক নয়, তবে আতঙ্কের। আমরা খবর পাওয়ার পর বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি। কোনো যাত্রীর কোনো ক্ষতি হয়নি। ইঞ্জিন বদল করে ট্রেনটি ফের যাত্রা শুরু করে। এ জন্য এক ঘণ্টার মতো দেরি হয়।’
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ রাখার বিষয়টি আদৌ বিবেচনার মধ্যে নেই জানিয়ে গতকাল রোববার রবি মহাপাত্র বলেন, ‘আগে এই ট্রেন ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা সপ্তাহে দুই দিন চলত, এখন তিন দিন চলে। এর মধ্য দিয়েই বোঝা যাচ্ছে এই ট্রেন কতটা জনপ্রিয়; সাধারণ মানুষের জন্য কতটা উপকারী। তবে আমরা সম্প্রতি আমাদের সীমান্ত এলাকায় এই ট্রেনের নিরাপত্তা বাড়িয়েছি। বাংলাদেশকেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তারা নিশ্চয় সেদিকে নজর দেবে।’ রবি মহাপাত্র বলেন, ‘দুই দেশের জনতার স্বার্থেই এই সেবা। এই ট্রেন দুই দেশের মানুষের সম্পদ। একে রক্ষা করার দায়িত্বও দুই দেশের জনগণের।
ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জেনারেল অনিল সাকসেনা প্রথম আলোকে বলেন, ‘রিপোর্ট অনুযায়ী পেট্রলবোমাগুলো ইঞ্জিনের সামনের দিকে ও চাকায় পড়েছিল। বোঝাই যাচ্ছে, লক্ষ্য ছিল ইঞ্জিন বিকল করে দেওয়া। সুখের কথা, বোমাগুলোর লক্ষ্য যাত্রীরা ছিলেন না।’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন