বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর ঘিওর উপজেলার সাতটি ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ঘিওর ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হামিদুর রহমান। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম। শুক্রবার বিকেলে চারটার দিকে ইউনিয়নের বাটরাকান্দি গ্রামে সাত-আটজন কর্মী নিয়ে অহিদুল ইসলাম নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হামিদুর রহমানের কর্মীরা হামলা চালান। এ সময় লোহার রড, দা, বাঁশ-কাঠের লাঠির আঘাতে চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুল ইসলাম এবং তাঁর দুই কর্মী বাদল হোসেন ও মো. পিয়াস আহত হন। হামলাকালে চার-পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ সময় নৌকা প্রতীকের এক কর্মী বাদলের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেন। এ সময় নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়াতে অহিদুল ইসলামকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।

এ সময় গ্রামের সাধারণ লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যান। এরপর আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুল ইসলাম এবং বাদল ও পিয়াসকে জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। এবারও আমি আওয়ামী লীগের কাছে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু পাইনি। গতবারের পরাজিত নৌকার প্রার্থীকে এবারও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের চাপে এবারও আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে নৌকার প্রার্থীর নির্দেশে তাঁর কর্মীরা আমার ওপর হামলা করেছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হামিদুর রহমান বলেন, তাঁর কর্মীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রার্থী অহিদুল ইসলামের কর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ আহত হননি। নির্বাচনে কৌশল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মাঠে কাজ শুরু করেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন