বিজ্ঞাপন

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এসব কথা জানানো হয়।

নৌবাহিনীর জাহাজ সমুদ্র অভিযান, সমুদ্র জয়, সাগর, স্বাধীনতা, প্রত্যয়, নির্মূল, শাপলা, নির্ভয়, অপরাজেয়, অদম্য, গোমতী, হাতিয়া, সন্দীপ, শাহ পরান, শাহ মখদুম, এলসিটি-১০৫, এলসিভিপি-০১১ ও এলসিভিপি-০১৩ জাহাজের পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মেরিটাইম প্যাট্রল এয়ারক্রাফট এবং হেলিকপ্টার সমুদ্র এলাকায় উদ্ধার অভিযান–সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মোতায়েন করা সব কন্টিনজেন্ট জনস্বার্থে বিভিন্ন সতর্কতামূলক প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করছে। তা ছাড়া বিপদসংকুল এলাকাগুলো থেকে স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।

এ ছাড়া নৌবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত ত্রাণ প্রস্তুত রাখাসহ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ত্রাণ সংকুলানের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য নৌবাহিনীর মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভাসানচরে বসবাসরত বাস্তুচ্যূত মিয়ানমারের নাগরিকদের ভাসানচরেই পূর্বনির্ধারিত ঘূর্ণিঝড় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভাসানচরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী, লাইফ জ্যাকেট ও এক মাসের শুকনা খাবার মজুত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদর দপ্তর ও সব আঞ্চলিক কমান্ড ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন