ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে মেরামত প্রকল্পের নামে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুর্নীতির কোনো তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় কমিশন অভিযোগটি নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে বলে দুদক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দুদক সূত্র জানায়, নতুন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, এর চেয়েও বেশি ব্যয়ে পুরোনো কেন্দ্র সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ আসে দুদকে। এতে বলা হয়, ঘোড়াশাল ৬ নম্বর ইউনিট রি-পাওয়ারিংয়ের জন্য সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অথচ ভূমি অধিগ্রহণ ও কেন্দ্র নির্মাণ থেকে শুরু করে উৎপাদনে যাওয়া পর্যন্ত মেগাওয়াটপ্রতি ব্যয় হয় প্রায় ছয় কোটি টাকা। সেই হিসাবে ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্র স্থাপনে খরচ হয় ৬০০ কোটি টাকা ও ৫০০ মেগাওয়াটে খরচ প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।
২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে দুদকের উপপরিচালক হামিদুল হাসান এ অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেন। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর অভিযোগটি নথিভুক্তির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ পর্যালোচনা করে কমিশন ১১ জানুয়ারি এ অভিযোগ নথিভুক্তি করার অনুমোদন দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন