বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আলী আকবরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আজ শনিবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তবে শুনানি হয়নি। পরে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাঁর কাছ থেকে অস্ত্রটির উৎস সম্পর্কে জানা যাবে।

গত বুধবার প্রথম আলোয় ‘অস্ত্রধারীরা ধরা পড়ে না’ শিরোনামে প্রধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে অস্ত্রধারীদের মধ্যে আলী আকবরের কথাও বলা হয়।

চলতি বছরের ১১ জুন চট্টগ্রামের বাকলিয়া কালা মিয়া বাজার আবদুল লতিফ হাটখোলা রোডে বড় মৌলভি বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ‘বিনা মূল্যে কবর দেওয়া হয়’ লেখা সাইনবোর্ড লাগাতে গেলে স্থানীয় সাইফুল্লাহ মাহমুদের পরিবারের ওপর আক্রমণ চালান সেখানকার মো. এয়াকুব বাহিনীর লোকজন। দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন চারজন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন এয়াকুব ও তাঁর সহযোগী জাহেদুল ও মো. ওয়াসিমের হাতে ছিল পিস্তল, মহিউদ্দিনের হাতে ছিল একনলা বন্দুক, এলজি ছিল আলী আকবর ও মো. নেজামের হাতে। এই ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ অস্ত্রধারীদের মধ্যে এয়াকুব ও জাহেদুলকে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা পলাতক। অস্ত্রধারীরা পেশাদার সন্ত্রাসী। পুলিশ জানায়, জায়গা দখলসহ আধিপত্য বিস্তারে তাঁরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন