বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তোলার পরই শিশুটিকে নিয়ে ওই নারীরা চলে যান। তাঁদের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নালাটির সংস্কারকাজ হয়েছে। তবে ভালো করে স্ল্যাব বসানো হয়নি। এ কারণে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার সময় লোকজন পড়ে যায়। এর আগেও দুই থেকে তিনজন পড়ে গেছেন। অস্থায়ী প্রতিবন্ধকতা দেওয়া হলেও ফুটপাতের ওপর মোটরসাইকেল চলায় এটি রাখা যায়নি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এসরারুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রাম নগরের উন্মুক্ত নালা ও খালগুলো রীতিমতো মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এখানে পড়ে একের পর এক মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটছে। গত বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত উন্মুক্ত নালা-খালে পড়ে শিশুসহ অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের একজনের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যে গত ৩০ জুন নগরের মেয়র গলি এলাকায় চশমা খালে পড়ে অটোরিকশাচালক ও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। গত ২৫ আগস্ট নগরের মুরাদপুরে চশমা খালে পা পিছলে পড়ে তলিয়ে যান সবজি বিক্রেতা ছালেহ আহমেদ। এখনো তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। আর গত ২৭ সেপ্টেম্বর নগরের আগ্রাবাদের মাজারগেট এলাকায় ফুটপাত থেকে পা পিছলে নালায় পড়ে মৃত্যু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী শেহেরীন মাহমুদ সাদিয়ার (১৯)। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর নগরের চশমা খালে তলিয়ে যায় শিশু মো. কামাল উদ্দিন (১২)। তিন দিন পর নগরের মির্জা খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও সিডিএ—কেউ এর দায় নিচ্ছে না। এসব মৃত্যুর জন্য উল্টো পরস্পরকে দায়ী করে আসছে দুটি সংস্থা। কিন্তু সংস্থা দুটির ভূমিকায় চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে। সরকারের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমন মৃত্যুর জন্য দুটি সংস্থার গাফিলতিকে দায়ী করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন